এতিমখানার বাথরুমে একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণ

935

এতিমখানার বাথরুমে- রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার পরিজাত এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রমের একাধিক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এতিমখানার শিক্ষক রবিউল ইসলামকে (২৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে বালিয়াকান্দি থানায় মামলা করেন ওই এতিমখানার ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহম্মেদ। ধর্ষণ মামলার প্রেক্ষিতে শিক্ষক রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার শিক্ষক রবিউল ইসলাম বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের খালিয়া মধুপুর গ্রামের উমর আলীর ছেলে। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে শিক্ষক রবিউল ইসলাম।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশের এসআই নূর মোহাম্মদ বলেন, উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের মধুপুর এলাকার পরিজাত এতিমখানার শিক্ষক রবিউল ইসলাম ছাত্রীদের ক্লাস নেয়ার সুযোগে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর (১২) সঙ্গে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলে। ওই সম্পর্কের সূত্র ধরে গত সেপ্টেম্বর মাসে ছাত্রীকে এতিমখানার বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করে রবিউল। ধারাবাহিকভাবে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে আসছিল সে। এরই মধ্যে আরও দুই ছাত্রীকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এতিমখানার বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করে শিক্ষক রবিউল। এসআই নূর মোহাম্মদ আরও বলেন, শিক্ষক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে একইভাবে আরও কয়েকজন ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জেনে এতিমখানার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহম্মেদ বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার প্রেক্ষিতে শিক্ষক রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করে রাজবাড়ী আদালতে পাঠানো হয়। বালিয়াকান্দি থানা পুলিশের ওসি একেএম আজমল হুদা বলেন, মামলায় একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনলেও এক ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষক রবিউলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে রবিউল। বোরকা পরে নারীদের টয়লেটে, অতঃপর… বোরকা পরে নারীদের টয়লেটে প্রবেশের কারণে ভারতের গোয়ায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। তার নাম ভার্জিল ফার্নান্দেজ। তিনি রাজ্য সরকারের ৩৫ বছর বয়সী একজন কর্মচারী। শনিবার তিনি গোয়া কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে ওই পোশাকে নারীদের টয়লেটে প্রবেশ করেন। এক পর্যায়ে তার ভিতর থেকে বেরিয়ে আসার সময় তিনি ধরা পড়েন। গোয়া পুলিশের মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেছেন, তার বিরুদ্ধে মুসলিম নারীদের পোশাকে ছদ্মবেশ ধারণ করার দায়ে অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি পানাজি এলাকায় ওই ঘটনা ঘটিয়েছেন। কিন্তু কি উদ্দেশে তিনি এ কাজ করেছেন তার বিস্তারিত জানা যায় নি।

## সংসার করতে বাড়ি থেকে পালালো সমকামী দুই বান্ধবী: মনীষা আর বান্টি। তেইশ বছরের দুই যুবতীর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব। সম্প্রতি মনীষার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে নিজেই হাজির হয়েছিলেন বান্টি। সবাইকে অবাক করে বান্টি জানিয়ে দেয়, মনীষাকেই তিনি বিয়ে করতে চান। টিভি, রেডিওতে সমকামী সম্পর্কের কথা শুনলেও, নিজেরা যে এভাবে প্রত্যক্ষ করবেন, তা ভাবতেই পারেননি জামুড়িয়ার বেড়ালা গ্রামের বাসিন্দারা। ফলে আইনি স্বীকৃতি থাকলেও পরিবারের সদস্যরা কিছুতেই মেনে নিতে পারলেন না মনীষা-বান্টির এই সম্পর্ক। সহমত নেই গ্রামবাসীদেরও। তাই নিজেদের স্বপ্ন পূরণে হাতে হাত রেখে ঘর ছেড়ে, গ্রাম ছেড়ে অজানার উদ্দেশে পাড়ি দিলেন দুই সখী। চার বছর প্রেমের পর এখন ঘর বাঁধার স্বপ্নে বিভোর দুই সমকামী যুবতী। শনিবার এই ঘটনার সাক্ষী রইল ভারতের আসানসোলের জামুড়িয়া থানার বেড়ালা গ্রাম।

জানা যায়, বেড়ালার মেয়ে মনীষা কেওড়া এবং সিঙ্গুর থানার বারুইপাড়ার বাসিন্দা বাণ্টি ভদ্র দুজনে অন্তরঙ্গ সঙ্গী। গত চার বছর ধরে একে অপরের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কে আবদ্ধ। কলেজে পড়ার সময় এনসিসি ক্যাম্প থেকে একে অপরের সঙ্গে পরিচয়। এরপর থেকে ভাললাগা ও ভালবাসার পর্ব শুরু। জামুড়িয়ায় মনীষার বাড়িতে প্রায়ই আসতেন বান্টি। থাকতেন দিনের পর দিন। বাড়ির লোকও মনে করেছিলেন, দুই অন্তরঙ্গ বান্ধবী তারা। কিন্তু এই ভুল ভাঙল গত শনিবার। ওই দিন বান্টি জামুড়িয়ায় আসে। মনীষার বাবা বিপদতারণ কেওড়াকে সরাসরি বলেন, মনীষাকে তিনি বিয়ে করতে চান। তারা রেজিস্ট্রি করে অন্যত্র ঘর বাঁধতে চান। এ কথা শুনে আকাশ ভেঙে পড়ে মনীষার বাড়ির সদস্যদের। দিশেহারা হয়ে পড়েন মনীষার বাবা-মা। মেয়েকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা। দুই বান্ধবীকে বোঝাতে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। পুলিশকে ডেকে মধ্যস্থতা করার চেষ্টাও চলে। কিন্তু নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় বান্টি, মনীষা। জামুড়িয়া থানার পুলিশ এলে বান্টি সোজা সুপ্রিম কোর্টের আদেশনামা দেখিয়ে জানিয়ে দেন, এটা আইনত বৈধ।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভিড় জমে এলাকায়। পিলপিল করে বেড়ালা গ্রামে লোক জমতে শুরু করে। একদিকে পরিবারের সদস্যরা, অন্যদিকে বান্টি-মনীষা। শেষ পর্যন্ত মনীষার বাবা জানিয়ে দেন, তারা এই সম্পর্ক মানতে পারবেন না। প্রয়োজনে মেয়ে যেন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এটুকু শোনার অপেক্ষা শুধু। এরপরেই হাত ধরে হেঁটে গ্রামের বাইরে চলে যান বান্টি-মনীষা। রাস্তায় গিয়ে বাসে উঠে পড়েন। এই দৃশ্য দেখতে গ্রামের মানুষ নেমে আসেন রাস্তায়। অত্যুৎসাহীরা ছবিও তুলে নেন। বান্টি নিজের সম্পর্কে কিছুই জানাতে চাননি এদিন।
যেটুকু জানা গেছে সবটাই মনীষার মাধ্যমে। বান্টি বাড়িতে থাকেন না। মা মারা যাওয়ার পর বাবা বিয়ে করায় তিনি ঘরছাড়া। কলকাতায় এক মেডিক্যাল কলেজে বান্টি নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে কাজ করেন। দুজনে একসঙ্গে কলকাতাতেই ঘর বাঁধবেন বলে জানা গিয়েছে।