ক্যান্সারের মতো জটিল রোগকেও প্রতিরোধ করে সফেদা

1281

প্রতিরোধ করে সফেদা – মিষ্টি ফল সফেদা। সামান্য একটু হাতের চাপেই খুলে যায়। মুখে দিলে নিমেষে মিলিয়ে যায়। থেকে যায় মিষ্টি রসের আস্বাদ। কেবল স্বাদে নয়, গুণেও অতুলনীয় এই সফেদা।
১) সফেদার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি থাকে। ভিটামিন এ চোখের পক্ষে খুবই ভাল। আর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি’র জুড়ি মেলা ভার।
২) সফেদায় প্রচুর পরিমাণে শর্করা রয়েছে। তাই ব্যস্ত দিনের আগে একটি সফেদা খেয়ে নিলে শরীর গোটা দিন চাঙ্গা থাকে।

৩) এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। যা ওরাল ক্যাভিটি ক্যান্সারের মতো রোগকেও প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৪) সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন রয়েছে। ফলে এটি যেমন আপনার হাড়ের জোর বাড়ায়, তেমনই শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে।
৫) সফেদা আবার শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। ফলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৬) একাধিক ভিটামিন ও ইলেক্ট্রোলাইট রয়েছে। তাই এটি গর্ভবতী মহিলাদেরও নিয়মিত খাওয়া উচিত। এতে বমি বমি ভাবটিও কেটে।
৭) সবেদায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে। খিদে মেটাতেও এই ফল খুবই কার্যকরী। ফলে ডায়েটিংয়ের ক্ষেত্রে এই ফল ভীষণ উপকারী।

ঘরোয়া উপায়ে ব্যথা থেকে মুক্তি লাভের উপায়:
আমরা সাধারণত ব্যথা অনুভব করলেই তা থেকে মুক্তি পেতে পেইন কিলার সেবন করে থাকি। এ ওষুধ সেবনে তাৎক্ষণিক ব্যথা থেকে মুক্তি মিললে এর রয়েছে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব। পেইন কিলার ওষুধ সেবনের পরিবর্তে ঘরোয়া পদ্ধতিতে কমানো যেতে পারে শরীরের ব্যথা। ঘরোয়াভাবে ব্যথা কমানোর পদ্ধতিগুলো জেনে নেয়া যাক- কুমড়ার বিচি: কুমড়ার বীজে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেশিয়াম বিদ্যমান। মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে কুমড়ার বিচি। সঙ্গে অন্যান্য ব্যথা থেকে মুক্তি মেলে কুমড়া বিচি খেলে। মরিচ: মরিচ যেকোন ধরনের ব্যথা কামতে সাহায্য করে। একাধিক জরিপ থেকে জানা গেছে, ত্বক ভালো রাখার জন্য মরিচের জুড়ের কোনও শেষ নেই। আদা: গলা ব্যথায় আদা অনেক উপকারী। এছাড়াও পেট ব্যথা কিংবা ঋতুস্রাবের সময় পেট ব্যথা হলে আদা খাওয়া যেতে পারে। এতে আদা অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখে। হলুদ: হলুদের অনেকগুলো গুণ রয়েছে। তার মধ্যে ব্যথা কমানো একটি বড় গুণ। শরীরের কোনও পোড়া অংশে কিংবা ক্ষতস্থানে হলুদ লাগালে উপকার আসে। এছাড়াও বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে হলুদ।