বিমানে কক্সবাজার (যাওয়া-আসা) মাত্র ১৫০০ টাকায় #সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন

988

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে আসতে বর্তমানে বাংলাদেশ বিমানে ভ্রমণ করা যাবে ১৫শ’ টাকায়। গত ২৬ মার্চ থেকে এটি শুরু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই বিশেষ অফারটি। বাংলাদেশ বিমান সূত্র জানায়, সরকারি বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গ্রীষ্মকালীন শিডিউল চালু হয়েছে। এ শিডিউলে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুটে (যাওয়া-আসা) ১৫০০ টাকায় যাতায়াত করা যাবে। গত ২৬ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই বিশেষ অফারটি। শিডিউল শুরু হয়েছে গত ২৫ মার্চ থেকে। তিনটি শিডিউলে এ বিমান ছাড়বে। সপ্তাহে প্রতি বৃহস্পতিবার, সোমবার ও শনিবার ৩টি ফ্লাইট ছাড়বে। ফিরতি ফ্লাইট হবে সপ্তাহে দুইটি; সোমবার ও শনিবারে। চার বছর আগে কেনা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিমানে এ রুটের যাত্রীদের বহন করা হবে। বিমানটি ৭৪ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন।

আরও পড়ুনঃ
রানারের শেয়ার কিনতে পারবেন ৬৭ টাকায়
বুক বিল্ডিং প্রক্রিয়ায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে রানার অটোমোবাইল।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৬৩তম কমিশন সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। আইপিওতে অনুমোদন পাওয়ার পর নিলামের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ার ৭৫ টাকায় ঠিক করে। নিয়ম অনুযায়ী সেখান থেকে ১০ শতাংশ কমে ৬৭ টাকায় শেয়ার কিনতে পারবেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। গত সেপ্টেম্বরে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলামে ৫৯২টি প্রস্তাব আসে। বিডিংয়ে রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ওঠে ৮৪ টাকা ও সর্বনিম্ন ২৫ টাকা। নিলামে অংশগ্রহণকারীদের দর প্রস্তাবের ক্রমযোজিত মূল্য (কিউমুলেটিভ ভ্যালু) ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা শেষ হয় প্রতি শেয়ার ৭৫ টাকায়। এর ফলে রানার অটোমোবাইলসের ‘কাট অফ’ প্রাইস নির্ধারণ হয় ৭৫ টাকায়। কাট অফ প্রাইসের ১০ শতাংশ কম দরে অর্থাৎ ৬৭ টাকা ৫০ পয়সায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দ হওয়ার কথা। কিন্তু ভগ্নাংশ থাকার কারণে নিয়মানুযায়ী নিকটবর্তী পূর্ণসংখ্যা বিবেচনায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ৬৭ টাকায় রানারের শেয়ার পাবেন। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, রানার অটোমোবাইল ব্যবসা সম্প্রসারণে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করবে। এজন্য এক কোটি ৩৯ লাখ ৩০ হাজার ৩৪৮টি শেয়ার ইস্যু করবে রানার অটোমোবাইলস।

এর মধ্যে ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ৮৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩০০টি শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। বাকি ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ১৫টি শেয়ার কিনতে পারবেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এই অর্থ গবেষণা ও উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি ক্রয়, ব্যাংকঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর ব্যয় নির্বাহে খরচ করবে কোম্পানিটি। ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, পুনর্মূল্যায়নজনিত উদ্বৃত্তসহ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৫৫ টাকা ৭০ পয়সা। রানার অটোমোবাইলসকে শেয়ারবাজারে আনতে ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। রেজিস্টার টু দ্য ইস্যু লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।