ভয়ংকর তথ্য : রোজায় মেয়াদোত্তীর্ণ তেল নিয়ে নতুন বোতলে ঢোকায় পুষ্টি!

5385

বাজার থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ তেল ফিরিয়ে নিয়ে তা পুনরায় বোতলজাত করার দায়ে ভোজ্যতেলের ব্র্যান্ড ‘পুষ্টি’র মালিক পক্ষকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জে পুষ্টি সয়াবিন তেলের কারখানা সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডে এ অভিযান চালানো হয় বলে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানিয়েছেন।

র‌্যাব ও বিএসটিআই যৌথভাবে এই অভিযান চালায় জানিয়ে তিনি বলেন, “সেখানে দেখা যায় বাজারের অবিক্রিত মেয়াদোত্তীর্ণ তেল ফেরত এনে পাইপলাইনে ঢুকিয়ে নতুন করে বোতলজাত করছে, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য ও কষ্টকর। তদুপরি কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবের ৮০ ভাগ রাসায়নিক পদার্থ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে কয়েক বছর আগে।”
এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান সারওয়ার আলম। রোববার বেলা সাড়ে ১২টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ওই কারখানায় অভিযান চালানো হয় বলে জানান তিনি।
তথ্য সূত্র : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

বস্তায় ভরার সময় চিৎকার, পাচারকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেল দুই শিশু:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মঙ্গলপৈতা গ্রামের শিশু পাচারকারীদের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুই শিশু। বুধবার সকালে মাঠে ছাগল চড়ানোর সময় এ ঘটনা ঘটে। শিশুরা হলো, মঙ্গলপৈতা গ্রামের তাহাজ্জেল হোসেনের ছেলে মিলন হোসেন (৮) ও মনিরুল ইসলামের ছেলে রাজু হোসেন (৬)। এই দুই শিশু মঙ্গলপৈতা মাদ্রাসার ছাত্র।
স্থানীয়রা জানায়, রমজান মাসে মাদরাসা বন্ধ থাকায় গ্রামের মাঠে ছাগল চড়াতে যায় এই দুই শিশু। এরপর বস্তা হাতে দুইজন ব্যক্তি তাদের দিকে এগিয়ে আসে। তাদেরকে বিস্কুট খাওয়ার কথা বলে। এসময় শিশুরা বিস্কুট খেতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর শিশু রাজু হোসেনকে বস্তায় ভরার পর হাত-পা বেঁধে মিলনকে বস্তায় ভরার চেষ্টা করে। এ সময় শিশু মিলন চিৎকার দিলে পার্শ্ববর্তী জমিতে থাকা কৃষকরা এগিয়ে এলে শিশু পাচারকারী দুই ব্যক্তি তাদের ফেলে রেখে দৌড়ে পালায়। কালীগঞ্জ থানার সুবর্ণসারা পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এসআই সৈয়দ আলী জানান, এ ঘটনা শোনার সাথে সাথে ক্যাম্প থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়দাতা মহান আল্লাহ:
ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ঝড়ো বাসাত থেকে মুক্ত থাকতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেন। কেননা মহান আল্লাহই মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়দাতা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা বাতাসকে গালি দিও না। তবে যদি তোমরা একে তোমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেখতে পাও, তবে এ দোয়া করবে-
اَللَّهُمَّ اِنَّا نَسْئَالُكَ مِنْ خَيْرِ هَذِهِ الرِّيْحِ وَ خَيْرِ مَا فَيْهَا وَ خَيْرِمَا أُمِرَتْ بِهِ وَ نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّ هَذِهِ الرِّيْحِ وَ شَرِّ مَا فَيْهَا وَ شَرِّ مَا أُمِرَتْ بِهِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি হাজিহির রিহি ওয়া খাইরি মা ফিহা ওয়া খাইরি মা উমিরাত বিহি, ওয়া নাউজুবিকা মিন শাররি হাজিহির রিহি ওয়া শাররি মা ফিহা ওয়া শাররি মা উমিরাত বিহি’ (তিরমিজি, মিশকাত)
অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট এ বাতাসের ভালো দিক, এতে যে কল্যাণ রয়েছে তা এবং যে উদ্দেশ্যে তা নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে তার উত্তম দিকটি প্রার্থনা করছি। এবং তোমার নিকট এর খারাপ দিক হতে, এতে যে অকল্যাণ রয়েছে তা হতে এবং এটা যে উদ্দেশ্যে আদেশপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে তার মন্দ দিক হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
বিপদাপদ থেকে আত্ম-রক্ষায় প্রতিদিনের দোয়া
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল এবং সন্ধ্যায় নিন্মোক্ত দোয়াটি পড়ে; তাকে কোনো বিপদাপদ ও বালা-মুছিবত স্পর্শ করবে না-
بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِيْ الْأَرْضِ وَلَا فِيْ السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ الُعَلِيْم
উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূররু মাআস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামিই ওয়াহুয়া সামিয়ুল আলিম।’ (তিরমিজি, ইবনু মাজাহ, মিশকাত)
প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন, যেন তাঁর উম্মতকে দুর্যোগ ও বিপর্যয় দিয়ে এক সঙ্গে ধ্বংস করে দেয়া না হয়।
এ সব বিপদকালীন সময়ে বিশ্বনবি বেশি বেশি তাওবা ও ইসতেগফার করতেন এবং অন্যদেরকেও তা পড়তে নির্দেশ দিতেন। সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত ঘূর্ণিঝড়, প্রবল ঝড়ো বাতাস ও বিপদ-আপদে উল্লেখিত দোয়া পড়া এবং বেশি বেশি তাওবা-ইসতেগফার করা।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ঘূর্ণিঝড়ে হাদিসের শেখানো দোয়া পড়ার এবং বেশি বেশি তাওবা-ইসতেগফার করার তাওফিক দান করুন। আমিন।