দেড় কেজি মুরগির দামে এক কেজি ফুলকপি!

3666

বাজারগুলোতে শাক-সবজির দাম মানুষের নাগালের বাইরে। প্রতিকেজি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, যা দেড় কেজি ব্রয়লার মুরগির দামের সমান। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। এছাড়া প্রায় সবজির দাম ৬০ টাকার ওপরে। সোমবার (২০ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের কাজির দেউড়ী বাজার ঘুরে চোখে পড়ে এ দৃশ্য। নগরের অন্যান্য বাজারগুলোর চিত্রও এক।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়- গাজর ১৬০ টাকা, শিম কেজি ১৫০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, দেশি বেগুন ৫০ টাকা, লম্বা বেগুন ৬০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, তিতকরলা ৫০ টাকা, কাকরোল ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার প্রতিকেজি ৪০ টাকা, মরিচ ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা ও ছোট কচু ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে, মাছ ও মাংসের বাজারে দাম নাগালের মধ্যে রয়েছে। রুই মাছ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা, কাতলা মাছ ৩৫০ টাকা, পাবদা মাছ ৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস কেজি প্রতি ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা ও দেশি মুরগি ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বাজারে। কাজির দেউড়ী এলাকার বাসিন্দা মো. আবুল কালাম বলেন, এক কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ১৩০-১৪০ টাকার মধ্যে, অথচ এক কেজি ফুলকপির দাম ২০০ টাকা। ফুলকপির এ দামে দেড়কেজি ব্রয়লার মুরগি পাওয়া যাবে। এছাড়া অন্যান্য সবজির দামও ৬০ থেকে ১০০ টাকার ওপরে। সবজি খাওয়ার আর দরকার আছে? তার চেয়ে বরং মাছ-মাংস খাওয়াই ভালো হবে। কাজির দেউড়ী সবজি বাজারে বিক্রেতা মো. হাসান বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বেশি, তাই খুচরা পর্যায়েও দাম বাড়তি। কিছু করার নেই। ফুলকপির এখন সিজন নেই। অল্প পরিমাণে স্থানীয় পর্যায়ে এ সবজি পাওয়া যাচ্ছে। তাই দাম বেশি, এক কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

#######
‘উন্নয়ন করতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে’
যে জাতি স্বপ্ন দেখে না, সে জাতীর উন্নয়ন হয় না। উন্নয়ন করতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্ন দেখে পরিকল্পনা করতে হবে। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তায়নের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে। সোমবার (২০ মে) নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলা সদরের অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাজ হলে সরকারের এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক এক কর্মশালায় মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, এমপি এ সব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) বাস্তবায়নে আমাদের সাফল্য দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও তার সরকার জাতিসংঘ ঘোষিত ২০৩০ এজেন্ডা তথা টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) এবং নির্বাচনী ইশহেতার বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ আদর্শকে ধারণ করে স্থানীয় পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক কৌশলপত্র প্রণয়নের প্রস্তাবনা তৈরিই এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য। শহরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যূৎ, পানি, যোগাযোগ প্রভৃতির অবস্থা তুলনামূলকভাবে গ্রামের চেয়ে ভাল। এ সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারলে গ্রাম হবে শহর। প্রধান মন্ত্রীর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করা জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান

জানান। বারহাট্টা উপজেলা প্রশাসন দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করে। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন। এতে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক যতীন সরকার আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। যে জাতি স্বপ্ন দেখে না, সে জাতীর উন্নয়ন হয় না। উন্নয়ন করতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্ন দেখে পরিকল্পনা করতে হবে। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তায়নের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে। সোমবার (২০ মে) নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলা সদরের অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাজ হলে সরকারের এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক এক কর্মশালায় মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, এমপি এ সব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) বাস্তবায়নে আমাদের সাফল্য দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও তার সরকার জাতিসংঘ ঘোষিত ২০৩০ এজেন্ডা তথা টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) এবং নির্বাচনী ইশহেতার বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ আদর্শকে ধারণ করে স্থানীয় পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক কৌশলপত্র প্রণয়নের প্রস্তাবনা তৈরিই এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য। শহরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যূৎ, পানি, যোগাযোগ প্রভৃতির অবস্থা তুলনামূলকভাবে গ্রামের চেয়ে ভাল। এ সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারলে গ্রাম হবে শহর। প্রধান মন্ত্রীর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করা জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

বারহাট্টা উপজেলা প্রশাসন দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করে। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন। এতে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক যতীন সরকার আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। মূখ্য আলোচক ছিলেন অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ। উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাইমিনুর রশিদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুহম্মদ মাঈনুল হক কাসেম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিউল ইসলাম, সহকারী বমিশনার (ভূমি) সাদিয়া উম্মুল বানিন, আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল ওয়াহেদ, সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোঃ আব্দুল কাদের প্রমুখ।