গাড়ির পোড়া মবিল দিয়ে হচ্ছে চানাচুর !

378

পঁচা ডিম দিয়ে কেক, গাড়ির পোড়া মবিল দিয়ে ভেজে চানাচুর তৈরি করা হতো বেকারিতে। গোপন সংবাদে এমন তথ্য পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় র‌্যাব।
অভিযানে বেকারি, রেস্টুরেন্ট ও আইসক্রিম ফ্যাক্টরিসহ পাঁচ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে নগদ ৯৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল র‌্যাব-৯ ও জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষ থেকে ভেজাল খাদ্যবিরোধী অভিযান চালিয়ে পঁচাবাসি খাবার, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরির অভিযোগে এ নগদ টাকা জরিমানা করা হয়।

রোববার বাহুবল উপজেলার মিরপুরে বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত হবিগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসনা শারমিন মিথি ও র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গলের সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযানটি পরিচালিত হয়। ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নগদ ৯৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় মিরপুরের গাউছিয়া বেকারিতে থাকা পচা নষ্ট কেক, পঁচা ডিম ভেঙে ফেলা হয়। এ ছাড়া দীর্ঘদিনের জমে থাকা দুর্গন্ধযুক্ত পঁচা তেল, বিস্কুট, কেক, গাড়ির পোড়া মবিল দিয়ে ভাজা চানাচুরও নষ্ট করে দেয়া হয়।
এ সময় অনুমোদনহীন দই ও পঁচাবাসি খাবার রাখার দায়ে শায়েস্তাগঞ্জের নতুন ব্রিজে আল বারাকা রেস্টুরেন্টকে ৫ হাজার টাকা, বাহুবল উপজেলার মিরপুরে আরামবাগ রেস্টুরেন্টকে পচা সবজি ও মাছ রাখার দায়ে ২০ হাজার টাকা, নষ্ট তেল ও পঁচা ডিম এবং বেকারির ভেতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকায় গাউছিয়া বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা, জিসান বাংলা বেকারিকে ২০ হাজার টাকা এবং মিরপুর আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসনা শারমিন মিথি জানান, সারা শহর জুড়ে অনেকগুলো সংস্থা রমজানকে সামনে রেখে প্রতিদিনই খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে। তারপরও অতি লোভী ব্যবসায়ীরা তাদের স্বার্থ বজায় রেখে মেয়াদউত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করছে এবং পঁচাবাসি খাবার সাধারণ মানুষকে খাওয়াচ্ছে। অনেক রেস্টুরেন্টে বিএসটিআই অনুমোদনহীন খাবার রেখে প্রতারণা করছে মানুষের সঙ্গে।