নুসরাত হত্যা : ‘দোষ স্বীকার করে’ আদালতে যে জবানবন্দি দিয়েছেন নূর উদ্দিন ও শামীম

646

নূর উদ্দিন ও শামীম – ফেনীর সোনাগাজীতে মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যায় ‘সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে’ আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন এজহারভুক্ত দুই আসামি নূর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাহেরুল হক চৌহান জানান, দুই আসামি রবিবার মধ্যরাতে ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম জাকির হোসাইনের খাস কামরায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

নূর ও শামীমকে আদালতে হাজির করা হয় রবিবার বিকাল ৩টায়। এরপর তাদের জবানবন্দি গ্রহণ শুরু করেন বিচারক, তা চলে রাত ১টা পর্যন্ত।

তাহেরুল হক চৌহান বলেন, “আদালত দীর্ঘ সময় ধরে তাদের জবানবন্দি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ করে। আসামি দুজন আদালতের কাছে তাদের স্বীকারোক্তি উপস্থাপন করেন।”

সেখানে তারা পুরো ঘটনা স্পষ্ট করেছেন জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “তারা কারাগারে থাকা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার কাছ থেকে হুকুম পেয়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। এ সময় তাদের সাথে কারা ছিলো, কীভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে, বিষয়গুলো জবানবন্দিতে এসেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তা এখনই গণমাধ্যমকে জানানো হচ্ছে না।”

ঢাকার হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধ নুসরাত; পাঁচ দিন পর মৃত্যু হয় তার।

সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনেছিলেন নুসরাত। গত ২৬ মার্চ নুসরাতের মা শিরীনা আক্তার মামলা করার পরদিন সিরাজকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।ওই মামলা প্রত্যাহার না করায় ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষার হল থেকে ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে আগুন দেয় বোরখা পরা চারজন। আগুনে শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া নুসরাত ১০ এপ্রিল রাতে মারা যান।

দুই বছর আগে দাখিল পরীক্ষার সময়ও আক্রান্ত হয়েছিলেন নুসরাত। তখন তার চোখে দাহ্য পদার্থ ছুড়ে মারা হয়েছিল। ওই ঘটনাতেও অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার ‘ঘনিষ্ঠ’ নূর উদ্দিনকে সন্দেহ করা হয়।

ফেনীর সোনাগাজীর উত্তর চর চান্দিয়া গ্রামের নূর উদ্দিনকে শুক্রবার ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। আর শাহাদাত হোসেন শামীমকে শুক্রবার সকালে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সম্পর্ক ভাঙার দশ বছর পর দিনার-সুইটির ফের দেখা

সেই রেল স্টেশনে! যেখান থেকে তাদের সম্পর্কের শুরু হয়, আবার শেষও হয়! প্রায় দশ বছর পর রায়হান আর মিতালির দেখা। এতো বছর পর দেখা হওয়ায় দু’জনে বেশ আবেগঘন মুহূর্তে চলে যায়। ফিরে আসে প্রেমের সোনালী দিন।

তাদের গল্পের সঙ্গে এই প্রজন্মের অমিত ও লাজের জীবনের গল্পটাও প্রায় একই। সামান্য একটি ভুলের কারণে রায়হান ও মিতালির জীবনে যে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে তা যেন কোনোভাবেই অমিত ও লাজের জীবনে না ঘটে এই প্রত্যাশার একটি গল্প।

সম্প্রতি এমনই এক গল্পে সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে নাটক ‘তখন এই সময়ে’। থ্রি সিক্সটি ডিগ্রির ব্যানারে নির্মিত নাটকটি লিখেছেন সৈয়দ ইকবাল আর পরিচালনা করেছেন মাসুদ আল জাবের।

নাটকে রায়হান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইন্তেখাব দিনার। তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন অভিনেত্রী তানভীন সুইটি। নাটকে নতুন প্রজন্মের জুটি হিসেবে দেখা যাবে নিলয় আলমগীর ও নুসরাত জান্নাত রুহী।

এ নাটকে কাজ করা প্রসঙ্গে তানভীন সুইটি বলেন, ‘অনেকদিন পর চমৎকার একটি গল্পে কাজ করলাম। ইন্তেখাব দিনারের সঙ্গেও কাজ হলো। একটি ভালো নির্মাণ তখন এই সময়ে’। আশা করি দর্শক নাটকটি উপভোগ করবেন।’

নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন সুজাত শিমুল, ইশরাত হক, শাহজাহান কবীর, বাদশা বুলবুল, রিফাত আরা রুম্পাসহ একঝাঁক নৃত্যশিল্পী।

পরিচালক মাসুদ আল জাবের বলেন, ‘নাটকের গল্পটা একেবারেই অন্যরকম। দুই প্রজন্মের দুই জুটির জীবনের গল্প তুলে ধরেছি। গল্পের প্রয়োজনে নাচের আয়োজন এবং রেলস্টেশনসহ নানা জায়গায় শুটিং করেছি। সব মিলিয়ে অন্যরকম একটি গল্পের নাটক দেখবেন দর্শক।’

পরিচালক আরও জানান, নাটকটি খুব শিগগিরই এনটিভির পর্দায় প্রচার হবে।