আসছে শক্তিশালী দুটি ঘূর্ণিঝড়

305

কখনও ঝকঝকে রোদ আবার কিছুক্ষণ পরেই আকাশ মেঘলা হয়ে ঝুম বৃষ্টি। গত কয়েকদিন ধরে প্রকৃতির এই রোদ-বৃষ্টির খেলা চলছে। যেন থামার নামই নেই। মঙ্গলবার (০৯ এপ্রিল) সকাল থেকেও দেখা গেল এমনই চিত্র। এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত ৬টি নিম্নচাপ, যার মধ্যে দুটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, চৈত্রের শেষের এই সময়টা এমনই। আগামী ১৪ এপ্রিল নববর্ষ পর্যন্ত থাকবে ঝড়-বৃষ্টির এই প্রবণতা। তবে গত কয়েকদিন ধরে যে তীব্রতা-এটা বুধবার (১৭ এপ্রিল) পর্যন্ত থাকতে পারে। দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য সতর্ক বার্তায় বলা হয়- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ- হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি. মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই বৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রঃ somoynews

আম বাগানে পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ: আমে ক্ষতিকারক রাসায়নিক প্রতিরোধে রাজশাহী অঞ্চলসহ দেশের বড় বড় আম বাগানগুলোতে পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে আমের আড়ৎগুলো মনিটরিংয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক ও র‌্যাবের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আজ (৯ এপ্রিল) মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক সম্পূরক আবদনের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন। এক মাসের মধ্যে আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা সংশ্লিষ্টদের জানাতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনে পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুল আলম। আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন হলে কেমিকেলমুক্ত আম নিশ্চিত সম্ভব হবে। বিষমুক্ত আম নিশ্চিতে দশ বছর আগে আম বাগান এবং বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। আদালতের আদেশের পরও প্রশাসন তৎপর হলেও আমে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো বন্ধ হয়নি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার চাঁপাইয়ে ৩২ হাজার জমির বাগানে আমের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ মেট্রিকটন। আর ১৮ হাজার হেক্টর আম বাগানে রাজশাহীর লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিকটন আম।