কর্ণফুলিতে পড়ানো হচ্ছে টনে টনে পলিথিন আর প্লাস্টিক।

318

খাল-নালা হয়ে চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীতে প্রতি মাসে পড়ছে অন্তত ২ হাজার টন পলিথিন-প্লাস্টিক বর্জ্য। যা এই নদীর অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি বলছেন বিশেষজ্ঞরা। পলিথিন-প্লাস্টিক বর্জ্য চট্টগ্রাম বন্দরের ক্যাপিটেল ড্রেজিং প্রকল্পকেও করছে বাধাগ্রস্ত। কেননা, ড্রেজারে মাটির পরিবর্তে উঠে আসছে প্লাস্টিক বর্জ্য।

চলছে কর্ণফুলি নদীর ক্যাপিটেল ড্রেজিং। যেখানে খননযন্ত্রে এভাবেই উঠে আসছে হাজার হাজার পলিথিন। ২০১৪ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরের প্রায় ২০ লাখ বাসা থেকে খাল-নালা হয়ে প্রতিমাসে কর্ণফুলী নদীতে পড়ে ২০ লাখ কেজি পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য। সম্প্রতি তার প্রমাণ মিলেছে নদী খননে। প্রতিটি খাল-নালার মুখ ছাড়াও নদীর বিভিন্নস্থানে মাটির পরিবর্তে উঠে আসছে পলিথিন-প্লাস্টিক। পরিবেশবিদ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে কম বেশি ১৫টি কারখানায় নিয়ম উপেক্ষা করে ৫৫ মাইক্রোনের নিচে পলিথিন বানানো হচ্ছে। আসছে বাইরে থেকেও। ফলে দিনশেষে যার জায়গা হচ্ছে দেশের অর্থনীতির প্রাণ এই নদীতে।

পলিথিন বন্ধ বা নদীতে বর্জ্য পড়া ঠেকাতে তেমন উদ্যোগ নেই সরকারি সংস্থাগুলোর। তবে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। ২০১১-১৩ সালেও একই প্রকল্প হুমকির মুখে পড়ে প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে। এবার কাজ শুরুর আগে সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো উচিত ছিল বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
সুত্রঃ চেনেল২৪